শিক্ষার্থীদের সাফল্যই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য
৩৪ বছর ধরে ৮ বিভাগের ৩৪ জেলায় ১৫০টি ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক অর্জন — বৃত্তি, ক্যাডেট কলেজ ভর্তি ও পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে।
প্রাথমিক শাখা ও ৫ম শ্রেণির বৃত্তি
২০২৫২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ — দুই ক্যাটাগরিতেই দেশজুড়ে সাফল্য।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি
২০২৬দেশের ১২টি ক্যাডেট কলেজে প্রতি বছর শাহীন শিক্ষা পরিবারের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়।
জেএসসি ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সাফল্য
জেএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলে শাহীন শিক্ষা পরিবার শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছে। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায়ও শাহীন শিক্ষা পরিবার অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
এস.এস.সি পরীক্ষার সাফল্য
টাঙ্গাইলএস.এস.সি পরীক্ষায় শাহীন শিক্ষা পরিবারের ধারাবাহিক অর্জন।
বিশেষ দিকসমূহ
- অত্যাধুনিক পরিপাটি ক্যাম্পাস
- চমৎকার লোকেশন ও উন্নত পরিবেশ
- সুপরিসর শ্রেণিকক্ষ
- প্রতিটি শ্রেণিতে সীমিত আসন
- অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ
- দুর্বল শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত Extra Care
- কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা
- SEF Foundation বৃত্তি ও সরকারি উপবৃত্তি
- সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
- প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা
- সরকারি বিধি মোতাবেক বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক
- নিয়মিত ক্লাস করলে প্রাইভেট-কোচিং লাগে না
- সেমিস্টার পরীক্ষার পর মেধাভিত্তিক পৃথক ব্যাচ
- সৃজনশীল পদ্ধতিতে ট্রেনিংপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পাঠদান
- ক্যাম্পাসের ভিতরেই মানসম্মত ক্যান্টিন
- সপ্তাহে ২ দিন বাধ্যতামূলক কম্পিউটার ক্লাস
- Spoken English-এ পারদর্শী করে তোলা
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
ক্যাডেট কোচিং, বৃত্তি প্রস্তুতি ও ভর্তি নিয়ে অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর।
বাংলাদেশের সেরা ক্যাডেট কোচিং কোনটি?
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক ফলাফলই একটি কোচিংয়ের প্রকৃত মাপকাঠি। শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং থেকে ২০২৬ সালে ৩৩৬ জন এবং ২০২৫ সালে ৩১২ জন শিক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজে চান্স পেয়েছে। ৩৪ বছরের অভিজ্ঞতা, ৩৪ জেলার ১৫০টি ক্যাম্পাস এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকই এই ফলাফলের মূল কারণ।
শাহীন স্কুল কেন সেরা স্কুল হিসেবে পরিচিত?
প্রাথমিক শিক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে ৪ বার ১ম স্থান, ২০২৫ সালে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ৮৬৮ জনের বৃত্তি প্রাপ্তি এবং টাঙ্গাইলে এস.এস.সি পরীক্ষায় ১২২৫ জনের A+ — এই ধারাবাহিক ফলাফলের কারণেই অভিভাবকদের কাছে শাহীন স্কুল সেরা স্কুল হিসেবে বিবেচিত।
ক্যাডেট কোচিং কোন শ্রেণি থেকে শুরু করা ভালো?
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা হয় ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে, তাই প্রস্তুতি ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণি থেকেই শুরু করা সবচেয়ে ফলপ্রসূ। শাহীনে পঞ্চম শ্রেণি থেকে বৃত্তি ও প্রি-ক্যাডেট প্রস্তুতি একসঙ্গে চলে, ফলে দুটো পরীক্ষার প্রস্তুতিই সমান্তরালে হয়।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যাডেট কোচিং করা যায় কি?
হ্যাঁ। দেশের যেকোনো জেলা থেকে অনলাইনে ক্যাডেট ও বৃত্তি কোচিংয়ে যুক্ত হওয়া যায়। ক্লাস, মডেল টেস্ট ও মূল্যায়ন সবই অনলাইনে হয় — কাছাকাছি শাখা না থাকলেও প্রস্তুতিতে সমস্যা হয় না।
ক্যাডেট ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কতদিন সময় লাগে?
নিয়মিত ক্লাস করলে এক বছরের পরিকল্পিত প্রস্তুতিতেই চূড়ান্ত চান্স পাওয়া সম্ভব। তবে দুই বছর সময় পেলে ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানের ভিত্তি আরও মজবুত হয় এবং লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক ও শারীরিক ধাপেও প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
ক্যাডেট কোচিংয়ে লিখিত পরীক্ষার বাইরে কী কী প্রস্তুতি করানো হয়?
লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নোত্তর, উপস্থাপনা, ইংরেজিতে কথা বলার অনুশীলন এবং শারীরিক সক্ষমতার প্রস্তুতি করানো হয়। প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদা মডেল টেস্ট নেওয়া হয়।
শাহীন স্কুলে ভর্তি হতে কী কী লাগে?
পূর্ববর্তী শ্রেণির ফলাফলের কপি, জন্মনিবন্ধন সনদ, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সাম্প্রতিক ছবি নিয়ে নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করতে হয়। শ্রেণিভেদে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।
বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নেওয়া হয়?
সিলেবাসভিত্তিক অধ্যায়ওয়ারি ক্লাস, সাপ্তাহিক পরীক্ষা এবং সেমিস্টার পরীক্ষার পর মেধাভিত্তিক পৃথক ব্যাচে পাঠদান করা হয়। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা Extra Care ক্লাসের ব্যবস্থা আছে।
দেশের কোন কোন জেলায় শাহীন স্কুলের শাখা আছে?
৮টি বিভাগের ৩৪ জেলায় মোট ১৫০টি ক্যাম্পাসে শাহীন শিক্ষা পরিবারের কার্যক্রম চলছে। নিকটস্থ শাখার ঠিকানা ও ফোন নম্বর ওয়েবসাইটের শাখা পাতা থেকে জানা যাবে।
নিয়মিত ক্লাস করলে আলাদা প্রাইভেট বা কোচিং লাগে কি?
না। সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পাঠদান, সীমিত আসন এবং নিয়মিত মূল্যায়নের কারণে ক্লাসেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়। অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবককে তাৎক্ষণিক জানানো হয়।
অ্যাডমিন প্রবেশ
পেজের লেখা সম্পাদনা করতে পাসওয়ার্ড দিন।