


প্রচেষ্টার ৩৪ তম বছরে
প্রচেষ্টার ৩৪ তম বছরে
প্রচেষ্টার ৩৪ তম বছরে
৩৪ টি জেলায় ১৫০ টি ক্যাম্পাস
৩৪ টি জেলায় ১৫০ টি ক্যাম্পাস
৩৪ টি জেলায় ১৫০ টি ক্যাম্পাস
জাতীয় পর্যায়ে ৪ বার ১ম স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান
জাতীয় পর্যায়ে ৪ বার ১ম স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান
জাতীয় পর্যায়ে ৪ বার ১ম স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান
পরিচালনা পর্ষদ
মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীন
চেয়ারম্যান
শাহীন শিক্ষা পরিবার
রোমেনা আক্তার
ভাইস চেয়ারম্যান
মুহাম্মদ রাফিউল আমীন
ভাইস চেয়ারম্যান
মাহবুবুর রহমান সেলিম
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
আনোয়ার হোসেন আসলাম
নির্বাহী পরিচালক
আধুনিক শিক্ষার ধারক ও বাহক শাহীন শিক্ষা পরিবার


কার্যক্রমসমূহ
মেধা তৈরিতে , মেধা বিকাশে , মেধাবী মূল্যায়নে শাহীন শিক্ষা পরিবার সচেষ্ট

স্কুল (প্লে গ্রুপ - ১০ম শ্রেণি)
একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি রয়েছে চিত্রাঙ্কন ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, শরীর চর্চা ও শারীরিক কসরৎ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এর ব্যবস্থা ।

ক্যাডেট কোচিং
ক্যাডেট কলেজ ভর্তিতে এক বছর কোচিং করে চুড়ান্তভাবে চান্স পাওয়ানোর কৃতিত্ব একমাত্র আমাদেরই । শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই লিখিত ৩১২ জনের চান্সপ্রাপ্তি ।

অনলাইন প্রোগ্রাম
৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য Zoom অ্যাপের মাধ্যমে লাইভ অনলাইন ক্যাডেট কোচিং পরিচালিত হয়। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ প্রি-ক্যাডেট প্রোগ্রাম ।

ইসলামিক স্কুল এন্ড নূরানী মাদ্রাসা
স্কুল + মাদ্রাসা = সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা । আরবি, বাংলা কিংবা ইংরেজি, হাতের লেখা সুন্দর করার প্রতি আমাদের রয়েছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব এবং বিশেষ দক্ষতা ।

School (English Version)
Comprehensive English Version education for students to develop language skills, creativity, and academic knowledge through interactive lessons and activities.

একাডেমিক কোচিং
উপকরণ ও বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠদান করা হয় এবং সাপ্তাহিক পড়ার তালিকা ও পাঠ্য বইকে প্রাধান্য দিয়ে সহজ ও সাবলিল ভাষায় তৈরিকৃত নোট প্রদান করা হয়
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে
২০০৪, ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ সনে বাংলাদেশে প্রথম ও ২০১১ সনে সম্মিলিত ৩য় স্থান অর্জন। টাঙ্গাইল হতে ১৯ বার ১ম স্থান অর্জন। এছাড়াও গাজীপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহে ১ম স্থান অর্জনসহ ২০১০ ও ২০১১ সনে বরিশালে ১ম স্থান অর্জন।
John Doe
Codetic
ক্যাডেট কলেজ ভর্তিতে
এক বছর কোচিং করে চূড়ান্তভাবে চান্স পাওয়ানোর কৃতিত্ব একমাত্র আমাদেরই। শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই লিখিত ৩১২ জনের চান্সপ্রাপ্তি।
John Doe
Codetic
জে.এস.সি পরীক্ষায়
সর্বশেষ বছর শাহীন স্কুল টাঙ্গাইলে আনুপাতিক A+ প্রাপ্তি হারে ১ম। শাহীন শিক্ষা পরিবার হতে ২০১৮ সনে ৩০৬ জনের A+ প্রাপ্তি সহ শতভাগ পাশ। সর্বশেষ ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১ম ও ২য় স্থান অর্জন।
John Doe
Codetic
এস.এস.সি পরীক্ষায়
গ্রেডিং পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রথম বছর টাঙ্গাইলের একমাত্র A+ প্রাপ্ত জিকু এবং দ্বিতীয় বছরে টাঙ্গাইলের একমাত্র A+ প্রাপ্ত সুমি উভয়ই আমাদের ছাত্র-ছাত্রী। শুধুমাত্র টাঙ্গাইল হতেই বিগত বছরগুলোতে ১২২৫ জনের A+ প্রাপ্তি। ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে টাঙ্গাইলে বেসরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন ।
John Doe
Codetic
হাতের লেখা প্রতিযোগিতায়
২০১১ সনে বাংলাদেশে ১ম শাহীন ক্যাডেট স্কুল টাঙ্গাইলের নাফিজা।
John Doe
Codetic
কেন ভর্তি হবে.........?
মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বৈশিষ্ট্য
➡️চমৎকার লোকেশন, উন্নত পরিবেশ ও অত্যাধুনিক পরিপাটি ক্যাম্পাস (ধূমপান, রাজনীতি, কোলাহলমুক্ত) ও পাঠদানসহ সার্বিক কার্যক্রম সার্বক্ষণিক সিসি টিভি দ্বারা পর্যবেক্ষণ…
➡️সু-পরিসর শ্রেণিকক্ষ, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস সুবিধাসহ হোয়াইটবোর্ড ও মার্কারপেনের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার সু-ব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
➡️দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের SEF FOUNDATION বৃত্তি।
➡️আধুনিক ডিজাইন ও রং-এর সমন্বয়ে তৈরি শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, টাই ও আইডি কার্ড।
➡️ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ।
➡️বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ (শিক্ষাসফর, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা…)। হাতের লেখা প্রতিযোগিতা।
➡️অত্যাধুনিক জেনারেটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
➡️কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা।
➡️অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে মোবাইল যোগাযোগ।
➡️স্ট্যান্ডার্ড সিট ক্যাপাসিটি, প্রতি কক্ষে সীমিত আসন।
➡️Live/Video Class এর ব্যবস্থা এবং MCQ Test গ্রহণ। (বিশেষ ক্ষেত্রে)
➡️রুটিন ভিত্তিক Zoom/Messenger/Room এ পৃথক পৃথক ব্যাচ অনুযায়ী ক্লাস। (বিশেষ ক্ষেত্রে)
➡️Google Form এর মাধ্যমে কুইজ/নৈর্ব্যক্তিক টেস্ট নেয়া। (বিশেষ ক্লাসগুলোতে)
➡️শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা বিকাশে অনলাইনে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের ব্যবস্থা।
➡️প্রতিদিনের স্কুলের ক্লাস লেকচার রেকর্ড করে অভিভাবকের নিকট প্রেরণ করা। যাতে কোন শিক্ষার্থী কোন কারণে স্কুলে না আসলেও অথবা ক্লাসের লেকচার ভালোভাবে না বুঝতে পারলে রেকর্ডকৃত ভিডিও ক্লাস দেখে পড়া বুঝে নিতে পারবে।
➡️করোনার প্রান্তিক মুহূর্তে অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমে শাহীন শিক্ষা পরিবার অন্যতম ভূমিকা পালন করছে।w
শাহীন শিক্ষা পরিবারের
ক্যাম্পাস পরিচালনা পদ্ধতি
➡️সর্বোপরি, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষককে গ্রুপিং পদ্ধতিতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের ট্রেনিং সেন্টারে নিয়ে ট্রেনিং করানো যাতে সারা বাংলাদেশে সকল শাখার পাঠদান, খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রভৃতি টাঙ্গাইলের অনুরূপ হয়।
➡️মুসলমানদের জন্য আরবী পাঠদান (ফ্রি) যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী ইসলামী আদর্শে চলতে সক্ষম হয়।
➡️সরাসরি টাঙ্গাইল হতে online-এ প্রেরিত অনুরূপ পড়ার চার্টের মাধ্যমে পাঠদান, যাতে শিক্ষক কম-বেশী বা নিজ ইচ্ছানুযায়ী পড়াতে না পারেন।
➡️টাঙ্গাইল থেকে online-এ প্রেরিত মাসিক/সেমিস্টার পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ, যাতে সিলেবাসের সকল পাঠ পড়াতে বাধ্য হন। তাছাড়াও পাঠদানে ফাঁকি বা কোন শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন দাগিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে না।
➡️পাঠদানকারী শিক্ষক যাতে কোন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে কিছু বলে দিতে না পারেন সেজন্য শ্রেণি শিক্ষক ব্যতিত অন্য শিক্ষক দ্বারা পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা।
➡️অন্য শ্রেণির শিক্ষক দ্বারা সেমিস্টার পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা যাতে পছন্দের শিক্ষার্থীকে বেশি নম্বর দিতে না পারেন।
➡️একবার লেখা = দশবার পড়া। তাই প্রতিদিন মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয় যাতে পরীক্ষা ভীতি দূর হয় এবং নির্দিষ্ট সময়েই যেন পাবলিক পরীক্ষার উত্তর দিতে সক্ষম হয়।
➡️সঠিক নিয়মে বর্ণ শেখানোর ব্যবস্থা যাতে শিক্ষার্থী একটি বর্ণ শিখে সহজেই অনেকগুলো বর্ণ সঠিক নিয়মে লিখতে পারে। লেখা যেন সুন্দর হয় এবং দ্রুতগতিতে লিখতে পারে। যেমনঃ ‘ব’ বর্ণটি সঠিকভাবে শিখলে কর-ধ ঝ ইত্যাদি সঠিকভাবে পারা যায়।
➡️৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান, ৬ষ্ঠ এবং ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৮ম শ্রেণির জে.এস.সি পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান যাতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের মত দেশ সেরা ফলাফল করতে সক্ষম হয়। (শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইলের শিক্ষার্থীরা ২০০৪, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০ সনে বাংলাদেশে ১ম স্থান অর্জন করেছে।)
➡️বোর্ড বইয়ের প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়া যাতে পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ভাল ফলাফল করতে সক্ষম হয়। কারণ প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র বোর্ড বই হতেই প্রশ্ন হয়।
➡️দুর্বল শিক্ষার্থীদের Extra Care নেওয়া।
➡️মেধা বিকাশে ২-১০ জনের ব্যাচ ভিত্তিক পাঠদান (এজন্য অতিরিক্ত কোন ফি নেওয়া হয় না)।
➡️অভিভাবকের সাথে সবসময় যোগাযোগ রক্ষা করা ও শিক্ষার্থীর অবস্থান অবহিত করা |
ব্যতিক্রমী দিকসমূহঃ
➡️সুনিপূণ পাঠ পরিকল্পনা (সিডিউল)।
➡️সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস ও প্রতিদিন বিষয় ভিত্তিক ক্লাসটেষ্ট।
➡️১ম ও ২য় বর্ষে তিন মাস পর পর সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া।
➡️মেধানুসারে ব্যাচ ভিত্তিক পাঠদান।
➡️Class Test, Monthly Test and Semester Exam.
➡️সহজ পাঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে পড়া আদায়।
➡️সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকের সমন্বয়ে পাঠদান।
➡️অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে পাঠদান।
➡️নিয়মিত ক্লাস করলে কোচিং-এর প্রয়োজন হয় না।
“শিশুর ভবিষ্যৎ নির্মাণে তিন সহযোগী: শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী
- শিশুর সার্বিক বিকাশে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শাহীন স্কুল ও ক্যাডেট কোচিং এই তিন সহযোগীকে একই লক্ষ্যে যুক্ত করে গড়ে তোলে একটি উন্নত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। আমরা বিশ্বাস করি—সমন্বিত প্রচেষ্টাই শিশুদের ভবিষ্যৎকে করে আরও উজ্জ্বল, আত্মবিশ্বাসী ও সাফল্যময়।
আদর্শ শিক্ষার্থীর করণীয়
ভবিষ্যতে লক্ষ্য অর্জন ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ
আদর্শ অভিভাবকের গুণাবলি
সন্তানের সঠিক বিকাশ ও সফলতার জন্য যা জানা ও করা উচিত
আদর্শ শিক্ষকের পরিচয়
শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীর আগ্রহ উদ্দীপিত করার মূল কৌশল