শাহীন শিক্ষা পরিবারের (শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং) ক্যাম্পাস পরিচালনা পদ্ধতি ➡️সরাসরি টাঙ্গাইল হতে online-এ প্রেরিত অনুরূপ পড়ার চার্টের মাধ্যমে পাঠদান, যাতে শিক্ষক কম-বেশী বা নিজ ইচ্ছানুযায়ী পড়াতে না পারেন। ➡️টাঙ্গাইল থেকে online-এ প্রেরিত মাসিক/সেমিস্টার পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ, যাতে সিলেবাসের সকল পাঠ পড়াতে বাধ্য হন। তাছাড়াও পাঠদানে ফাঁকি বা কোন শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন দাগিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে না। ➡️পাঠদানকারী শিক্ষক যাতে কোন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে কিছু বলে দিতে না পারেন সেজন্য শ্রেণি শিক্ষক ব্যতিত অন্য শিক্ষক দ্বারা পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা। ➡️বোর্ড বইয়ের প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়া যাতে পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ভাল ফলাফল করতে সক্ষম হয়। কারণ প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র বোর্ড বই হতেই প্রশ্ন হয়। ➡️অন্য শ্রেণির শিক্ষক দ্বারা সেমিস্টার পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা যাতে পছন্দের শিক্ষার্থীকে বেশি নম্বর দিতে না পারেন। ➡️একবার লেখা = দশবার পড়া। তাই প্রতিদিন মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয় যাতে পরীক্ষা ভীতি দূর হয় এবং নির্দিষ্ট সময়েই যেন পাবলিক পরীক্ষার উত্তর দিতে সক্ষম হয়। ➡️সঠিক নিয়মে বর্ণ শেখানোর ব্যবস্থা যাতে শিক্ষার্থী একটি বর্ণ শিখে সহজেই অনেকগুলো বর্ণ সঠিক নিয়মে লিখতে পারে। লেখা যেন সুন্দর হয় এবং দ্রুতগতিতে লিখতে পারে। যেমনঃ ‘ব’ বর্ণটি সঠিকভাবে শিখলে কর-ধ ঝ ইত্যাদি সঠিকভাবে পারা যায়। ➡️৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান, ৬ষ্ঠ এবং ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৮ম শ্রেণির জে.এস.সি পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান যাতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের মত দেশ সেরা ফলাফল করতে সক্ষম হয়। (শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইলের শিক্ষার্থীরা ২০০৪, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০ সনে বাংলাদেশে ১ম স্থান অর্জন করেছে।) ➡️মুসলমানদের জন্য আরবী পাঠদান (ফ্রি) যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী ইসলামী আদর্শে চলতে সক্ষম হয়। ➡️সর্বোপরি, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষককে গ্রুপিং পদ্ধতিতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের ট্রেনিং সেন্টারে নিয়ে ট্রেনিং করানো যাতে সারা বাংলাদেশে সকল শাখার পাঠদান, খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রভৃতি টাঙ্গাইলের অনুরূপ হয়।