shaheen education family

Blogs

Blogs

ব্যতিক্রমী দিকসমূহঃ

শাহীন শিক্ষা পরিবারের (শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং) ব্যতিক্রমী দিকসমূহঃ ➡️দুর্বল শিক্ষার্থীদের Extra Care নেওয়া। ➡️মেধা বিকাশে ২-১০ জনের ব্যাচ ভিত্তিক পাঠদান (এজন্য অতিরিক্ত কোন ফি নেওয়া হয় না)। ➡️অভিভাবকের সাথে সবসময় যোগাযোগ রক্ষা করা ও শিক্ষার্থীর অবস্থান অবহিত করা | ➡️সুনিপূণ পাঠ পরিকল্পনা (সিডিউল)। ➡️সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস ও প্রতিদিন বিষয় ভিত্তিক ক্লাসটেষ্ট। ➡️১ম ও ২য় বর্ষে তিন মাস পর পর সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া। ➡️মেধানুসারে ব্যাচ ভিত্তিক পাঠদান। ➡️Class Test, Monthly Test and Semester Exam. ➡️সহজ পাঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে পড়া আদায়। ➡️সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকের সমন্বয়ে পাঠদান। ➡️অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে পাঠদান। ➡️নিয়মিত ক্লাস করলে কোচিং-এর প্রয়োজন হয় না।

Blogs

ক্যাম্পাস পরিচালনা পদ্ধতি

শাহীন শিক্ষা পরিবারের (শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং) ক্যাম্পাস পরিচালনা পদ্ধতি ➡️সরাসরি টাঙ্গাইল হতে online-এ প্রেরিত অনুরূপ পড়ার চার্টের মাধ্যমে পাঠদান, যাতে শিক্ষক কম-বেশী বা নিজ ইচ্ছানুযায়ী পড়াতে না পারেন। ➡️টাঙ্গাইল থেকে online-এ প্রেরিত মাসিক/সেমিস্টার পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ, যাতে সিলেবাসের সকল পাঠ পড়াতে বাধ্য হন। তাছাড়াও পাঠদানে ফাঁকি বা কোন শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন দাগিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে না। ➡️পাঠদানকারী শিক্ষক যাতে কোন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে কিছু বলে দিতে না পারেন সেজন্য শ্রেণি শিক্ষক ব্যতিত অন্য শিক্ষক দ্বারা পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা। ➡️বোর্ড বইয়ের প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়া যাতে পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ভাল ফলাফল করতে সক্ষম হয়। কারণ প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র বোর্ড বই হতেই প্রশ্ন হয়।  ➡️অন্য শ্রেণির শিক্ষক দ্বারা সেমিস্টার পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা যাতে পছন্দের শিক্ষার্থীকে বেশি নম্বর দিতে না পারেন। ➡️একবার লেখা = দশবার পড়া। তাই প্রতিদিন মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয় যাতে পরীক্ষা ভীতি দূর হয় এবং নির্দিষ্ট সময়েই যেন পাবলিক পরীক্ষার উত্তর দিতে সক্ষম হয়। ➡️সঠিক নিয়মে বর্ণ শেখানোর ব্যবস্থা যাতে শিক্ষার্থী একটি বর্ণ শিখে সহজেই অনেকগুলো বর্ণ সঠিক নিয়মে লিখতে পারে। লেখা যেন সুন্দর হয় এবং দ্রুতগতিতে লিখতে পারে। যেমনঃ ‘ব’ বর্ণটি সঠিকভাবে শিখলে কর-ধ ঝ ইত্যাদি সঠিকভাবে পারা যায়। ➡️৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান, ৬ষ্ঠ এবং ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৮ম শ্রেণির জে.এস.সি পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতি লক্ষ্য রেখে পাঠদান যাতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের মত দেশ সেরা ফলাফল করতে সক্ষম হয়। (শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইলের শিক্ষার্থীরা ২০০৪, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০ সনে বাংলাদেশে ১ম স্থান অর্জন করেছে।) ➡️মুসলমানদের জন্য আরবী পাঠদান (ফ্রি) যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী ইসলামী আদর্শে চলতে সক্ষম হয়। ➡️সর্বোপরি, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষককে গ্রুপিং পদ্ধতিতে শাহীন শিক্ষা পরিবার টাঙ্গাইলের ট্রেনিং সেন্টারে নিয়ে ট্রেনিং করানো যাতে সারা বাংলাদেশে সকল শাখার পাঠদান, খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রভৃতি টাঙ্গাইলের অনুরূপ হয়।

Blogs

কেন ভর্তি হবে………?

শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং এ কেন ভর্তি হবে………? মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বৈশিষ্ট্য ➡️চমৎকার লোকেশন, উন্নত পরিবেশ ও অত্যাধুনিক পরিপাটি ক্যাম্পাস (ধূমপান, রাজনীতি, কোলাহলমুক্ত) ও পাঠদানসহ সার্বিক কার্যক্রম সার্বক্ষণিক সিসি টিভি দ্বারা পর্যবেক্ষণ… ➡️সু-পরিসর শ্রেণিকক্ষ, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস সুবিধাসহ হোয়াইটবোর্ড ও মার্কারপেনের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার সু-ব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ➡️দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের SEF FOUNDATION বৃত্তি। ➡️আধুনিক ডিজাইন ও রং-এর সমন্বয়ে তৈরি শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, টাই ও আইডি কার্ড। ➡️ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ। ➡️বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ (শিক্ষাসফর, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা…)। হাতের লেখা প্রতিযোগিতা। ➡️অত্যাধুনিক জেনারেটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। ➡️কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা। ➡️অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে মোবাইল যোগাযোগ। ➡️স্ট্যান্ডার্ড সিট ক্যাপাসিটি, প্রতি কক্ষে সীমিত আসন। ➡️Live/Video Class এর ব্যবস্থা এবং MCQ Test গ্রহণ। (বিশেষ ক্ষেত্রে)     ➡️Google Form এর মাধ্যমে কুইজ/নৈর্ব্যক্তিক টেস্ট নেয়া। (বিশেষ ক্লাসগুলোতে) ➡️শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা বিকাশে অনলাইনে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের ব্যবস্থা। ➡️প্রতিদিনের স্কুলের ক্লাস লেকচার রেকর্ড করে অভিভাবকের নিকট প্রেরণ করা। যাতে কোন শিক্ষার্থী কোন কারণে স্কুলে না আসলেও অথবা ক্লাসের লেকচার ভালোভাবে না বুঝতে পারলে রেকর্ডকৃত ভিডিও ক্লাস দেখে পড়া বুঝে নিতে পারবে। ➡️রুটিন ভিত্তিক Zoom/Messenger/Room এ পৃথক পৃথক ব্যাচ অনুযায়ী ক্লাস। (বিশেষ ক্ষেত্রে) ➡️করোনার প্রান্তিক মুহূর্তে অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমে শাহীন শিক্ষা পরিবার অন্যতম ভূমিকা পালন করছে ।

Blogs

একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর করণীয়

একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর করণীয় একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন শিক্ষা, আদব-কায়দা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিক চর্চা। প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। তোমরাই একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। তোমাদের সততা, নিয়মশৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও দায়িত্বশীল আচরণই তোমাদের ব্যক্তিগত সফলতার পাশাপাশি শাহীন শিক্ষা পরিবার তথা শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং-এর সুনাম ও গৌরব বৃদ্ধি করে। শিক্ষাজীবনে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন শুধু মেধার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ভর করে নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ের সঠিক ব্যবহার, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন মেনে চলা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার ওপর। এই সকল বিষয়ে সচেতন থাকলে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে যোগ্য, আত্মবিশ্বাসী ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় উল্লেখ করা হলো। আশা করা যায়, এগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে অনুসরণ করলে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে তোমাদের সাফল্য নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ। শিক্ষার্থীর করণীয় কাজসমূহঃ 🌱 একজন আদর্শ শিক্ষার্থী কেন গুরুত্বপূর্ণ: 👉একটি সুশিক্ষিত জাতিই একটি উন্নত জাতির ভিত্তি। তবে শিক্ষা যদি কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তা কখনোই পূর্ণ শিক্ষা হতে পারে না। প্রকৃত শিক্ষা হলো জ্ঞান, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের সমন্বয়। এই সমন্বয়ের মাধ্যমেই একজন শিক্ষার্থী আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই শাহীন শিক্ষা পরিবার তথা শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও চারিত্রিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ⏰ আত্মশুদ্ধি ও দিনের সুশৃঙ্খল শুরু: 👉একজন আদর্শ শিক্ষার্থী প্রতিদিনের জীবন শুরু করে শৃঙ্খলা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। সময়মতো ঘুম থেকে ওঠা, নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে দিন শুরু করলে মনোযোগ, মানসিক স্থিরতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এই অভ্যাসগুলো শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🧑‍🏫 শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান: 👉শিক্ষক হলেন জ্ঞান অর্জনের প্রধান পথপ্রদর্শক। তাই শিক্ষকের প্রতি সম্মান, বিনয় ও আনুগত্য একজন শিক্ষার্থীর জন্য অপরিহার্য। শ্রেণিকক্ষে শালীন আচরণ, মনোযোগ দিয়ে পাঠ গ্রহণ এবং শিক্ষকের কথা ও নির্দেশনা গুরুত্বের সাথে অনুসরণ করা একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর পরিচয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন মেনে চলা, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণের যত্ন নেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষা করা শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। 🤝 সহপাঠীদের সাথে আচরণ ও মানবিকতা: 👉একজন আদর্শ শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সাথে সদাচরণ করে এবং কাউকে ছোট করে দেখে না। দুর্বল বা দরিদ্র সহপাঠীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া, সহযোগিতার মনোভাব রাখা এবং কারো ভুল নিয়ে হাসাহাসি বা ব্যঙ্গ না করা মানবিক গুণ বিকাশে সহায়ক। 📚 শৃঙ্খলা, মনোযোগ ও দায়িত্ববোধ: 👉শিক্ষাজীবনে সফলতার জন্য শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত পড়াশোনা, সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা এবং ক্লাসে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অবসর সময়ে অনর্থক কাজে সময় নষ্ট না করে আত্মউন্নয়নমূলক কাজে মনোযোগ দেওয়া শিক্ষার্থীকে এগিয়ে নেয়। 🧼 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ব্যক্তিগত অভ্যাস: 👉পরিচ্ছন্নতা একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। একজন আদর্শ শিক্ষার্থী নিজের পোশাক, বই-খাতা, শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয় পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা এবং সামাজিক শালীনতা বজায় রাখা দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন। ⚖️ নৈতিকতা, বিনয় ও আত্মনিয়ন্ত্রণ: 👉অহংকার, হিংসা ও বিদ্বেষ শিক্ষাজীবনের বড় বাধা। একজন আদর্শ শিক্ষার্থী সব সময় বিনয়ী ও নম্র থাকার চেষ্টা করে। নিজের ভুল স্বীকার করা এবং অন্যের ভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখাই প্রকৃত শিক্ষার্থীর গুণ। 👨‍👩‍👧 পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব: 👉বিদ্যালয়ের বাইরেও একজন শিক্ষার্থীর দায়িত্ব রয়েছে। বাবা-মার প্রতি সম্মান, তাদের কথা মেনে চলা এবং সুযোগমতো খেদমত করা একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর নৈতিক কর্তব্য। একই সঙ্গে সমাজে ভালো আচরণের মাধ্যমে পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষা করা শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। 🌟 উপসংহার: একজন আদর্শ শিক্ষার্থী হওয়া মানে শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করা নয়; বরং নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। শাহীন শিক্ষা পরিবার তথা শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং বিশ্বাস করে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুশিক্ষিত ও আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।   ধন্যবাদান্তে ও দোয়াপ্রার্থীমুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীনচেয়ারম্যান, শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইল।

Blogs

একজন আদর্শ শিক্ষকের করণীয়

একজন আদর্শ শিক্ষকের করণীয় শিক্ষার্থীর সফলতা, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের দায়িত্ব, নৈতিকতা ও পেশাগত করণীয় বিষয়ক দিকনির্দেশনা সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। শাহীন শিক্ষা পরিবার তথা শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং-এর সম্মানিত শিক্ষক মণ্ডলীর একজন সদস্য হিসেবে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য, সুনাম ও শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষকদের নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিক পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের সার্বিক অগ্রগতি ও সফলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার আলোকে শিক্ষাব্যবস্থাপনার প্রতিটি দিক নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নে সচেষ্ট রয়েছে। এই দায়িত্ব পালনে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। শিক্ষকদের করণীয় কাজসমূহঃ 👉শিক্ষক মণ্ডলীর দায়িত্বশীল ভূমিকা ও আন্তরিক পাঠদানই পারে একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। তাই নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ প্রস্তুতি, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলাবদ্ধ শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা এবং দুর্বল-মেধাবী সকল শিক্ষার্থীর প্রতি সমান যত্ন ও মনোযোগ প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাঠদানের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের গাফিলতি বা আন্তরিকতার ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে আমরা সর্বদা সচেতন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ। 👉শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন, নৈতিক উন্নয়ন এবং সর্বোচ্চ সফলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যেমন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি একজন শিক্ষক হিসেবে আপনারও কিছু আবশ্যিক দায়িত্ব ও করণীয় রয়েছে। একজন শিক্ষক যদি নিষ্ঠা, ধৈর্য, আন্তরিকতা ও আদর্শ আচরণের মাধ্যমে নিজের দায়িত্ব পালন করেন, তবে শিক্ষার্থীদের সফলতা অনিবার্য হয়ে ওঠে। 👉একজন শিক্ষক শুধু পাঠদানকারী নন, তিনি একজন আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ববোধ ও নৈতিক আচরণের ওপর। তাই একজন শিক্ষকের করণীয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 👉একজন শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের আগেই পাঠ প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হয়। নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ পরিকল্পনা তৈরি করা, প্রয়োজনীয় বই, নোট ও শিক্ষা উপকরণ সঙ্গে রাখা এবং সময়মতো ক্লাসে উপস্থিত হওয়া একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকের মৌলিক কর্তব্য। প্রস্তুতিহীনভাবে ক্লাস নিলে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ কমে যায় এবং পাঠদান কার্যকর হয় না। 👉শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভদ্র, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখা জরুরি। শ্রেণির শুরুতে বোর্ডে তারিখ, শ্রেণি ও পাঠের বিষয় লিখে পাঠ শুরু করলে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে পারে। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করাও শিক্ষকের দায়িত্ব। 👉পাঠদানের সময় সহজ, স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষা ব্যবহার করা উচিত, যাতে সব স্তরের শিক্ষার্থী পাঠ বুঝতে পারে। বাস্তব উদাহরণ, প্রশ্নোত্তর, আলোচনা ও অনুশীলনের মাধ্যমে পাঠ উপস্থাপন করলে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। দুর্বল, গড়পড়তা ও মেধাবী সব শিক্ষার্থীকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান একজন আদর্শ শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ গুণ। 👉শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি নিয়মিত মূল্যায়ন করা শিক্ষকের অন্যতম দায়িত্ব। পড়া আদায়, ক্লাস টেস্ট, মৌখিক প্রশ্ন এবং পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি যাচাই করা উচিত। বাড়ির কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিত ও ফলপ্রসূ কাজ নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনায় অভ্যস্ত হয় এবং মানসিক চাপের মধ্যে না পড়ে। 👉একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও চরিত্র গঠনে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়ানুবর্তিতা, পরিচ্ছন্নতা, শালীন আচরণ, সততা ও দায়িত্ববোধ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া একজন শিক্ষকের নৈতিক কর্তব্য। শিক্ষক নিজে এসব গুণাবলি অনুসরণ করলে শিক্ষার্থীরাও তা অনুকরণ করে। 👉অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকের পরিচায়ক। শিক্ষার্থীর পড়াশোনা, আচরণ ও সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অভিভাবককে অবহিত করলে শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি সুন্দর সমন্বয় তৈরি হয়, যা শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 👉পরিশেষে বলা যায়, একজন শিক্ষক যদি নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করেন, তবে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়, প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যায় এবং একটি আদর্শ ও আলোকিত সমাজ গঠনের পথ সুগম হয়। শাহীন শিক্ষা পরিবার বিশ্বাস করে দায়িত্বশীল শিক্ষকই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। আশা রাখি, আপনারা আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করবেন এবং আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমাদের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, চরিত্র ও সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদান্তে ও দোয়াপ্রার্থীমুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীনচেয়ারম্যান, শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইল।  

Blogs

একজন আদর্শ অভিভাবকের করণীয়

শাহীন শিক্ষা পরিবারের সম্মাননীয় চেয়ারম্যান স্যারের পরামর্শ হিসাবে অভিভাবকের করণীয় ৫টি কাজ সম্মানিত অভিভাবক, আসসালামু আলাইকুম। আপনার সন্তানকে শাহীন শিক্ষা পরিবারে তথা-(শাহীন স্কুল এন্ড ক্যাডেট কোচিং) ভর্তি করানোর জন্য অভিনন্দন। সর্বদাই আপনাদের বলে থাকি একজন শিক্ষার্থীর অগ্রগামীতার জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার আলোকে সার্বিক ব্যবস্থাপনার দিকটি পর্যবেক্ষণতার আলোকে বাস্তবায়ন করা (যেটি আমি করার জন্য প্রতিশ্রুতি বা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, ইনশাআল্লাহ, দোয়া চাই)। শিক্ষক মণ্ডলীর দায়িত্বশীল ভূমিকা ও আন্তরিকতার সাথে যথোপযুক্ত পাঠদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। সেটি যেন শিক্ষকরা বাস্তবায়নে চেষ্টা ও আন্তরিকতার ঘাটতি না করেন, তার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ। অতঃপর আপনার সন্তানের জ্ঞান অর্জন তথা সর্বোচ্চ সফলতা অর্জনের লক্ষ্যে আমার যেমন দায়িত্ব রয়েছে, তেমনিভাবে আপনারও বেশ কিছু আবশ্যিক করণীয় রয়েছে। অভিভাবক হিসাবে আপনার করণীয়গুলো নিচে উল্লেখ করলাম। আশা রাখি নিম্নোক্ত কাজগুলি যথাযথভাবে করতে পারলে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আপনার সন্তানের সাফল্য আসবে, আসবেই ইনশাআল্লাহ। করণীয় ৫টি কাজসমূহঃ১। আপনার সন্তানকে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার নিশ্চয়ন করা। ২। আপনার সন্তানের সাথে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘণ্টা সময় ব্যয় করা। উক্ত সময় আপনার কাজসমূহঃক) আন্তরিকতা তৈরিকরণ, অর্থাৎ বন্ধুর মত সম্পর্ক তৈরি করা, যাতে করে আপনার সন্তান নিঃসংকোচে তার মনের অনুভূতিগুলি আপনার সাথে শেয়ার করতে পারে।খ) শিক্ষার্থী ক্লাসে যে ভুলগুলো করবে, সেগুলো বাসায় যাওয়ার পর তাকে মুখস্থ করানোর পর ভুল সংশোধন নামে একটি খাতা তৈরি করে সেখানে সংশোধন করে লেখানোর ব্যবস্থা করা। অতঃপর অভিভাবক সবুজ কালির কলম দিয়ে সেই লেখাগুলো নিরীক্ষা করে স্বাক্ষর করা।গ) শিক্ষার্থী বাড়ির কাজ কালো কালির কলম দিয়ে লিখবে। অভিভাবক হিসাবে আপনি সবুজ কালি কলম দিয়ে নিরীক্ষণ করা। অতঃপর শিক্ষক পর্যবেক্ষণ করবেন বাড়ির কাজের সবগুলো বিষয়ে, তথা লিখেছে কিনা তা তদারকি করা এবং লাল কালি কলম দিয়ে সেটা Seen লিখে দেবেন। ৩। ১৫ দিনের মধ্যে শিক্ষককে ফোন (ক্লাস টাইম ব্যতীত) করে প্রতিটি বিষয়ের খোঁজখবর নেওয়া এবং শিক্ষকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সেই সাথে অভিভাবকের কোনো পরামর্শ থাকলে শিক্ষককে জানানো। সর্বোপরি মাসে একবার স্বশরীরে হাজির হয়ে শিক্ষার্থীর উন্নতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ করা। সার্বিক পরামর্শগুলো একটি ডায়েরি অথবা খাতায় লিখিত রেখে শিক্ষার্থীকে অগ্রগামী করার চেষ্টা করা এবং খাতায় শিক্ষক ও অভিভাবকের স্বাক্ষর করা। ৪। অভিভাবক হিসাবে উৎসাহমূলক পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে নিজ নম্বরের সাথে শিক্ষার্থীকে প্রতিযোগিতা করানোর ব্যবস্থা করা। বিষয়টি বুঝতে না পারলে শিক্ষকের সাথে কথা বলে ভালো করে বুঝে নেওয়া। ৫। পরিশেষে মুসলমান ভাই ও বোন ফরজ নামাজের পর সন্তানের মেধাশক্তি বৃদ্ধি, পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়া ও সাফল্যের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। আর অন্যান্য ধর্মাবলম্বীগণ নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা। আশা করি উপর্যুক্ত কাজগুলি সঠিকভাবে করতে পারলে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আপনার সন্তান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন করতে পারবে, অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন করে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করাতে সক্ষম হবে, ইনশাআল্লাহ, এবং সাফল্য লাভ করবেই, ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদান্তে ও দোয়াপ্রার্থীমুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীনচেয়ারম্যান, শাহীন শিক্ষা পরিবার, টাঙ্গাইল।

Scroll to Top